• ধর্ম
  • »
  • ইস্তিখারার সহজ একটা নিয়ম এবং দোয়া কবুলের ১০ টি সময়ঃ

ইস্তিখারার সহজ একটা নিয়ম এবং দোয়া কবুলের ১০ টি সময়ঃ

প্রকাশ : মে ১৫, ২০১৯, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
ইস্তিখারার সহজ একটা নিয়ম:-
মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ছারছিনা প্রতিনিধিঃ
বন্ধুরা, কাজটি করলে কোনো নেক কাজে সফল হবে, নাকি বিফল হবে তা পুর্বেই বুঝতে পারবে। প্রথমতঃ অযুকরে পবিত্র অবস্থায় ডান কাতে শুয়ে:- ১) সূরা-শামস ৭বার। ২) সূরা-লাইল ৭বার। ৩) সূরা-তীন ৭বার। ৪)সূরা ইখলাছ ৭বার। পড়বে। অতঃপর বলবে, “হে আল্লাহ, শপ্নে এমন কিছু দেখাও যাতে আমি আমার উদ্দেশ্য বুঝতে পারি।” এরুপ ১/২/৩/৭ দিন করলে এর মদ্ধে ভালো-মন্দ বুঝতে পারবে। অথবা, সাদা/সবুজ রং দেখলে সুফল,এবং কালো/লাল রং দেখলে কুফল বুঝতে হবে। বিঃ দ্রঃ কাজের এখলাছের ওপর ফলাফল নির্ভরশীল।
দোয়া কবুলের ১০ টি সময়ঃ
১. রাতের শেষ তৃতীয়াংশঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “প্রত্যেকদিন রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব (আল্লাহ) সবচেয়ে নীচের আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, ‘কে আমাকে ডাকছো, আমি তোমার ডাকে সাড়া দেবো। কে আমার কাছে চাইছো, আমি তাকে তা দেবো। কে আছো আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাকারী, যে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেবো?” (সহীহ বুখারী) ২. আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়ঃ আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তি সময়ের দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয়না”। (আবু দাউদ-৫২১, তিরমিজি-২১২) ৩. জুম’আর দিন কোন একটি সময়ঃ আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাদের একদিন শুক্রবার নিয়ে আলোচনা করলেন এবং বললেন, জুম’আর দিনে একটি সময় আছে যে সময়টা কোন মুসলিম সালাত আদায়রত অবস্থায় পায় এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা মেটাবেন’, এবং তিনি (রাসুল সাঃ) তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে সে সময়টা সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন”। (সহীহ বুখারী)। কোন কোন স্কলার সে সময়টার ব্যপারে বলেছেন, তা হলো- ইমাম যখন মসজিদে প্রবেশ করেন সে সময় থেকে সালাত শেষ হবার সময় পর্যন্ত, কেউ বলেছেন দুই খুতবার মাঝখানে, কেউ আবার জোর দিয়ে বলেছেন তা হলো আসর থেকে মাঘরিব পর্যন্ত সময়টা। (আল্লাহই ভাল জানেন) ৪. সিজদাহর সময়ঃ আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে সমটাতে বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটতম অবস্থায় থাকে তা হলো সিজদাহর সময়। সুতরাং তোমরা সে সময় আল্লাহর কাছে বেশী বেশী চাও”। (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ) ৫. ফরজ সালাতের পরঃ আবু উমামাহ (রাঃ) বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে জুজ্ঞেস করা হলো, “ইয়া রাসুলুল্লাহ, কোন সময়ের ডাক শোনা হয়?” তিনি বললেন, “রাতের শেষ সময়ে এবং ফরজ সালাতের পরে”। (তিরমিজি)। অনেক স্কলারগন বলেছেন, এ সময়টা হলো সালাম ফেরানোর আগের সময় (আত্তাহিয়াতুর পর)। ৬. কদরের রাতেঃ নিঃসন্দেহে লাইলাতুল কদর হলো একটি বছরে কোন মানব সন্তানের পাওয়া শ্রেষ্ঠ রাত। আল্লাহ বলেছেন, “আমরা এটিকে (আল-কুরআন) কদরের রাত্রিতে অবতীর্ণ করেছি। তুমি কি জানো কদরের রাত্রি কি? কদরের রাত্রি হাজার মাসের চেয়েও অধিক উত্তম”। বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত একাধিক বিশুদ্ধ হাদীসে এ রাতের সকল ইবাদত ও আল্লাহর কাছে চাহিদা পূরণের কথা বলা হয়েছে। ৭. বৃষ্টি হবার সময়ঃ সাহল ইবন সা’দ থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “দুই সময়ের দোয়া ফেরানো হয়না। আযানের সময়ের দোয়া আর বৃষ্টি পড়ার সময়কার দোয়া”। (আবু দাউদ ২৫৪০) ৮. আরাফাতের দিনের দোয়াঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “দোয়ার ভেতর শ্রেষ্ঠ হলো আরাফাতের দিনের দোয়া”। (তিরমিজি, মুয়াত্তা মালিক) ৯. জিলহজ্জ্ব মাসের প্রথম দশ দিনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “জিলহজ্জ্ব মাসের প্রথম দশদিন ছাড়া আর এমন কোন দিন নেই, যে সময়ের সৎকাজ আল্লাহর কাছে তার চেয়ে বেশী প্রিয়”। (সহীহ বুখারী ৯৬৯) ১০. রোজদার ব্যক্তির ইফতারের সময়কার দোয়া

 



সর্বশেষ সংবাদ