• slide news
  • »
  • ফুল রপ্তনী করে অর্ধকোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব

ফুল রপ্তনী করে অর্ধকোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব

প্রকাশ : জানুয়ারি ৫, ২০১৯, ২:৪৯ অপরাহ্ণ

এসএম সরোয়ারঃ
ক্ষীণ ওদের জীবন কাল। ভোরের শিশিরে পাপডিগুলো ডানা মেলে ঝড়ে কোন কোন ফুল, আবার নতুন করে জম্ম নেয় ফুলের প্রজম্ম। সৌন্দর্য্য ভর্ধনের প্রাকৃতিক পুষ্প সারা বিশ্বে জাতীয় দিন গুলোর স্মরণে বা রুপ সৌন্দর্য্য থেকে শুরু করে ঘর কিংবা যে কোনো অনুষ্ঠানে পুষ্প ফুলের কদর রয়েছে বিশ্বজুড়ে। মানবসভ্যতার ক্রম বিকাশ থেকেই সৌন্দর্য্যরে প্রতীক ফুলের সুচনা ঘটে। প্রায় চাঁর শতবর্ষ থেকে মধ্যপ্রচ্যের দেশগুলোতে ফুল ব্যবহারে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে কবিরা ফুলের সৌন্দর্য্যরে মহিমা মুল্যায়ণে তারা তাদের নিজস্ব ভাষায় বিভিন্ন ছ›দ্ব লিখেয়েছেন,-কবির ভাষায় বলছেন, জোটে যদি মোটে একটি পয়সা, খাদ্য কিনেও “ক্ষুধার লাগি, দু’টি যদি জোটে অর্ধেক তার ফুল কিনেও” “হে অনুরাগী”
কবির এই ছ›দ্ব ময়ী কথাগুলোতে ফুল মানুষের জন্য প্রাকৃতিক এক অপরূপ দানকে বুঝানো হযেছে। প্রায় পাচাঁ‘শ’ বছর আগে বিছিন্নভাবে ফুেলর আর্বিভাব ঘটলে ও এর প্রায় চাঁর শত বর্ষ পরে বিশ্বের অনেক দেশে সাজসজ্জার প্রাধান উপকরণ হিসেবে সৌন্দর্যৌর মহীমা ফুলের চাষ শুরু হয়। বানিজ্যিক ভাবে বর্হিবিশ্বে ফুল চাষের প্রধান্য পায় প্রায় আড়াই“শ” বছর আগে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাষীরা ফুল চাষের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন ১৮০৮ সালের শেষ দিকে। আমাদের দেশে দু’ একটি ছাড়া সব ফুলই বারমাস চাষ করা সম্ভাব হলেও অগ্রাহায়ন, পৌষ, মাঘ ও ফাল্গুন এ ৪ মাস ফুল ফোটার রাজ মৌসুম। কৃষি সম্প্রাসরনের তথ্যে জানা যায়, বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে তিন শত প্রজাতির ফুল চাষ করা হচ্ছে। প্রকৃতিক অনুকুলে থাকায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশে উন্নাতজাত ফুল চাষে উপযোগীয় পরিবেশ থাকা সত্তে¡ও ফুল চাষ ও বানিজ্যিক ভাবে রপ্তানিতে পিছিয়ে রয়েছে। মধ্যপ্রচ্যেও অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ফুল চাষ কমহলেও প্রকারভেদ অনেক বেশী এবং সীমিত জায়াগায় রপ্তানি যোগ্য ফুলের ফলনও কম নয়। বর্হিবিশ্বে বানিজ্যিকভাবে রপ্তানিমুখী উল্লেখযোগ্য দেশীয় ফুলের চাষ করা হচ্ছে- ডালিয়া, গাঁদা, বেলী, গøাডিওলাস,গোলাপ, রজনীগন্ধা, টিউলিপ, অ্যাস্টার গোলাপ,কলাবতী, জুই, ডেইজি, ডায়াস্থান, জিনিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, পদ্ম, কারনেশন, কসমস, প্যানজি, সূর্যসুখী, স্টারপিটুনিয়া, পপি, অর্কিড়, সিলভিয়া, ভারবেন, লুপিংস, ফ্লক্স, পর্টুলেকা, এন্টিরিনাম লুপিংস, মনিং, ক্যালেন্ডলা, গেøারি, সুইটপি, ন্যাস্টারশিয়াম, হলিংকস, জারবেরা,অ্যাজালিয়া সহ শতাধিকফুল। এ সব ফুলের ঋৃন সুবিধা পেয়ে চাষীরা ফলন বাড়ালে দেশের অর্থনীতি আরো সমৃদ্ধশালী হতে পারে বলে কৃষকদের ধারনা। তবে ফুল শুধু সৌন্দর্য্যরে প্রতীক আর শোভাবর্ধনই করে না, এটি দেশের অর্থকারী ফসলও বটে। মৌমাছি ফুল থেকে মধূ সংগ্রহ, ঔষুধী ফুল থেকে ঔষুধ তৈরী, সূর্যমুখী ফুল থেকে সু-গন্ধী তৈল উৎপাদন, টিউলিপ ও অ্যাস্টার ফুল দ্বারা বিভিন্ন ধরনে মূল্যবান সেন্ট তৈরী, আবার বিভিন্ন ধরনের সু-গন্ধযুক্ত ফুলের নির্যাস থেকে উন্নতমানের পারফিউম, সেন্ট ও আতর ইত্যাদি তৈরীর প্রায় শতাধি শিল্পকারখানা দেশে গড়ে উঠায় ৪০ হাজার শ্রমজীবী মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে। এ সব পণ্য বর্হিবিশ্বে রপ্তানি করে ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রায় ৪১ কোটি টাকার সমমুল্যের মুদ্রা অর্জন করছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সুত্রে জানা যায়। এছাড়াও ফুল চাষের মাধ্যমে ফুল চাষী, ফুল বিক্রিতা, ফুল দোকানী , ফুল মালী, ফুলের মালা তৈরীর শ্রমজীবি নারী, বড় ব্যাবসায়ী, রপ্তানী ব্যাবসায়ী, ফুলের নির্যাসে বিভিন্ন শিল্পকারখানার পণ্য উৎপাদনের শ্রমিকসহ ফুল দ্বারা উপর্জনে দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শ্রমজীবী মানুষ আতœকর্মসংস্থান তৈরী করে নিয়েছে বলে সুত্রে জানা যায়। স্বরুপকাঠির ফুল নার্সারীর মালিক সায়েম বলেন, আবাহাওয়া ও জলবায়ু ফুল চাষে অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে স্বরুপকাঠিসহ দক্ষিণাঞ্চল অনুকুলে থাকায় এ অঞ্চলে অধিক ফুল চাষ করা সম্ভাব যা বর্হিবিশ্বে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্বাব। তবে সরকারের পৃষ্টপোষকতার অভাব, ফুল চাষীদের সহজ ল্যভাংশে ব্যাংকিং সহযোগীতা না থাকায় শিল্পকারখানা গড়েতোলার উত্তে¡াক্তরা ঝিমিয়ে পড়ায় ফুলদ্বারা তৈরী পণ্য বর্হিবিশে^ যোরালো ভাবে বাজারজাতে স্থান পাচ্ছেন না। ফুল রপ্তানিকারী ব্যাবসায়ীরা জানান,দেশীই ফুল ও ফুল জাতপণ্য বর্হিবিশ্বে রপ্তানি করে গত বছর প্রায় অর্ধকোটি টাকা সরকারের রাজস্ব আয় হলেও এ রপ্তানি কৃর্ত ফুল দ্বারা উৎপাদিত পণ্য কারখানা গড়ে উঠলে দেশে রাজস্ব আয় আরো ২৪ গুন বাড়বে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষি কথা পত্রিকার পৌষ ১৪০৮ সংখ্যায় প্রকাশিত এক তথ্য ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফুল চাষের আওতাভুক্ত জমির পরিমান প্রায় ২৫০০ একর হলেও ২০১৪“এর” পরিমান বেড়ে দাড়ায় প্রায় ৩১৪৩.৬৭ এবং ২০১৫তে ৩২৮৭.৩১ একর জমিতে। বরিশাল বিভাগীয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর সুত্রে জানা যায়, বরিশালে ৬ জেলায় ৪২টি উপজেলা ও থানায় সর্বমোট ৪১৭.৭৪ একর জমিতে দেড় হাজার দু‘শ’৮৭টি ছোট-বড় ফুলের বাগান রয়েছে। সারা বছরই কম-বেশী ফুলের ফলণে ৮ থেকে ৯ কোটি টাকা বছরে আয় হচ্ছে। সরকারের সহজ ল্যাভাংশে ব্যাংকিং ঋনের সহযোগীতায় পেলে এ আয় দ্বিগুন হতে পারে মনে করেন চাষীরা। স্বরুপকাঠির ১০টি ইউনিয়ানে ৪১টি ফুলের বাগান রয়েছে। এ সব ফুলের বাগানের মালিকরা জানান, ধান বা অন্য কৃষিজাত ফলনের চেয়ে ফুল চাষ লাভ জনক। তবে এটি পরিচর্যা কৌশলগত। বছরের সারা মাসই কম-বেশী ফুলফলানো যায়। তবে চৈত্র মাস থেকেই ফুলের ফলন কমতে থাকে। বৈশাখ,জ্যৈষ্ঠ, আষাড় মাসেও কিছু ফুল ফলন থাকলেও শ্রাবণ, ভাদ্র, এ দু” মাস ফুল পচনধরে। আশ্বিন ও কার্তিক মাসে ফুলচাষীরা ফুল চাষের জন্য জমি প্রস্ততিকরন শুরু করেন। পিরোজপুর জেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, স্বরুপকাঠি ফুল চাষ থেকে বছরে প্রায় ৩৪ লক্ষ্য টাকা আয় হচ্ছে। কিন্তু বর্হিবিশ্বের নেদারল্যান্ড, ইসরাইল, ভারত, ইতালি, দক্ষিন আফ্রিকা, স্পেন,ব্রাজিল, কেনিয়া, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, তাইওয়ান, মেক্সিকো, থাইল্যান্ড, ব্রনাই, সুইডেন, হলন্ডে, অস্টেলিয়া, বেলজিয়াম ও সুইজারল্যান্ডসহ ৩১টি দেশে ফুলকে প্রধান অর্থকারি কৃষি চাষ হিসাবে প্রধান্য দেয়ায় ওই সব দেশগুলোর উল্লেখযোগ্য টিউলিপ,গøাড়িলাস, ভারবেনা, কারনেশন, অর্কিড়, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, প্যানজি, পিটুলিয়া, গাঁদা, এন্টিরিনাস, ন্যাস্টারশিয়াম,অ্যাস্টার ও অ্যার্ককাইডসহ শতাধিক ফুল চাষ করে জাপান, ফ্রেন্স, জার্মানি, যুক্তরাস্ট্র,ক্যানাড়া ও যুক্তরাজ্যসহ মধ্যপ্রচ্যের অনেক দেশে ফুল ও ফুলপুষ্প দ্বারা বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করে বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে বছরে লাখ-লাখ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্র অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। ১৯৮২-৮৩ সালে দেশের দক্ষিাণাঞ্চলে অর্থকারী ফসল হিসাবে ফুল উৎপাদন ও ফুলের নার্সারী শুরু হয়। ১৯৯৭ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে ফুল অর্থকারী কৃষি পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় ২০০১ সালে দেশ জুড়ে ব্যপকভাবে ফুল চাষ শুরু হয়। কৃষিসম্প্রসারণ ও সংশ্লিষ্ট তথ্যে জানা যায়, ২০০২-৩ সালের অর্থবছরে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ, ২০০৩-৪ অর্থবছরে ২ কোটি ৬১ লাখ, ২০০৪-৫ অর্থবছরে ৩ কোটি ১০ লাখ, ২০০৫-৬ অর্থবছরে ৩ কোটি ১৯ লাখ, ২০০৬-৭ অর্থবছরে ২ কোটি ৬০ লাখ, ২০০৭-৮ অর্থবছরে ২ কোটি, ২০০৮-৯ অর্থবছরে ৪ কোটি ১১ লাখ, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৫ কোটি ৯৮ লাখ, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১২ কোটি ৬০ লাখ,২০১১-১২ অর্থবছরে ১১ কোটি ৭৭ লাখ, ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রায় ৩৯ কোটি ১৩ লাখ ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩৭ কোটি ৯ লাথ টাকার সমপরিমান বৈদেশি মুদ্র ফুল রপ্তানি ও ফুল বাজারজাত থেকে আয় হয়। দেশ ব্যাপী সরকারের পৃষ্টাপোষকতায় এর বিল্পব এবং কৃষি অর্থনীতিতে সমৃদ্ধশালী ঘটানো সম্বাব বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা। ফুল ব্যাবসার প্রধান কেন্দ্র হচ্ছে ঢাকা শহর। বর্হিবিশ্বের চেয়ে বাংলাদেশ সীমিত জমিতে ফুল চাষ করেও দেশের চাহিদা মিটিয়ে লন্ডন,সিঙ্গাপুর, সৌদি-আরব, হল্যান্ড, কুয়েত এবং আবুধাবিতে রীতিমত ফুল রপ্তানি করে বছরে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার সমমুল্যের মুদ্রা বিদেশ থেকে অর্জন হচ্ছে। ২টি কালচার এক্সর্পোট ডেভেল মেন্ট প্রজেস্টের আওতায় বাধন এন্টার প্রাইজ ৪ঠা জানুয়ারী ১৯৯১ সালে হল্যান্ডে বিমান যোগে সাড়ে তিন শত কেজি রজনীগন্ধা ফুল প্রথম রপ্তানি করেছে যা বাংলাদেশে ভবিষ্যাতে ফুল চাষের সম্ভাবনার আরো বৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করে। বর্তমানে গাজীপুর, দিনাজপুর, লালমনির হাট, নীলফামারী, সাভার, রংপুর, চটÍগ্রাম, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, বরিশাল, স্বরুপকাঠি, যশোর, ঠাকুরগা,ফরিদপুর ও খুলনাসহ দেশের ৬৪টি জেলার প্রায়াই উপজেলায় কম-বেশী ফুলের চাষ ও নার্সারীর বিল্পব ঘটছে। বাংলাদেশ এবং হল্যান্ড ফুল চাষে আবহাওয়া গত প্রাকৃত পরিবেশ অনেকটা মিল থাকলেও বানিজ্যিকভাবে ফুল চাষে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কৃষিভিত্তিক দিক থেকে হল্যান্ডকে ফুলের বানিজ্যিক দেশ বলা হয়। ১৮৭৭ সালের দিকে হল্যান্ড কৃষিজাতপণ্যের মধ্যে ফুলকে প্রধান বাণিজ্যিক ভিত্তিক পণ্য চিন্তা করে এর ব্যাপক চাষ শুরু করে। ১৮৯০ সালে এ দেশটি বিভিন্ন দেশের সাথে ফুলের বাণিজ্যিক ভিত্তিক বাজারজাত করার জন্য উদ্বদ্ধ হয়। ১৯২১ সাল থেকে ১৯২৬ সালের কোনো এক বছরে বিশ্বের ৭টি দেশের সাথে বাণিজ্যিকভাবে ফুল ব্যাবসায় হল্যান্ড প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার সমমূল্যের মুদ্রা অর্জন করে। ১৯৯১ সালে এই দেশটি প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার সমমূল্যের ফুল ও শোভাবর্ধন গাছ বিদেশে রপ্তানি করেছে। হল্যান্ড সংগ্রহকৃত ফুলগুলো ৪ সেলসিয়াস তাপমাত্রায় অন্ধকর কক্ষে ১ রাত সংরক্ষণ করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। এতে ফুলের কোনো রঙ্গের পরিবর্তন, ক্ষতি সাধন হয় না এমনকি প্রকৃতির বৈশিস্ট্য ফুটান্ত ফুলের মতই তর-তাজা বা অক্ষয় থাকে। যার কারণে হল্যান্ড অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের মানচিত্রে খুব দ্রæত ফুলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবসা কেন্দ্র ঘটে তুলতে সক্ষম হয়েছে।

 



সর্বশেষ সংবাদ
বরগুনায় প্রধান শিক্ষকের ব্যাপক অনিয়ম, এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ স্বরূপকাঠীতে পয়ঁত্রিশজন জুয়াড়ী আটক “শিশির ভেজা রাত” রওশন কবীর নেছারাবাদে(স্বরূপকাঠী) কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাইজ-ডে অনুষ্ঠিত বরগুনায় কোচিং বানিজ্য বন্ধে নেই কোনো পদক্ষেপ স্বরূপকাঠীতে  লবন মজুদের জন্য ভ্রাম্যমান আদালত- বিশ হাজার টাকা জরিমানা রিফাত হত্যা : প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন ২৮ নভেম্বর। তিন আসামির জামিন নামঞ্জুর স্বরূপকাঠীতে বুলবুলের আঘাতে বসত ভিটা কেড়ে নিল আবু হানিফের মরণফাঁদ দিয়ে উঠতে হয় খেয়া পারাপারে , অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে যাত্রীদের থেকে!! বরগুনা রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন