#
বরগুনায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের নামে রমরমা চাঁদাবাজি
মে ১৩, ২০১৯, ৭:০৪ অপরাহ্ণ

মোঃ আসাদুল হক সবুজ, জেলা প্রতিনিধি, বরগুনাঃ

বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার কথা বলে সদর উপজেলার ৯নং এম. বালিয়াতলী ইউনিয়নের ছোট তালতলী গ্রামের শত শত পরিবারের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীসহ এলাকাবাসী জানান গত ১৫/২০ দিন ধরে পল্লী বিদ্যুতের একটি প্রভাবশালী দালাল চক্র ছোট তালতলী গ্রামের বিদ্যুত সংযোগ দেওয়ার নাম করে প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা আদায় করছে। দাবীকৃত চাদা না দিলে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়া হবে না বলে দালাল চক্র বিভিন্নভাবে গ্রামবাসীকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এর আগেও বরগুনা সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে নতুন বিদ্যুত সংযোগ দেয়ার কথা বলে টাকা উত্তোলন এর বিষয়টি একাধিকবার গণমাধ্যমে আসলেও সমস্যার সমাধান হয়নি বরং দালালরা আরো সক্রিয় ভাবে চাদা আদায় করছে ছোট তালতলী গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ মোঃ আলমগীর মুন্সী (আলম মুন্সী), মোঃ সেলিম কাজী, মোঃ রুহুল মুসুল্লী ও স্থানীয় ইউ,পি সদস্য মোহাম্মাদ পাটোয়ারী সহায়তায় একটি চক্র ছোট তালতলী গ্রামের শত শত পরিবারের কাছ থেকে চাদা তুলছেন।

অত্র এলাকার মুরুব্বী ও দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য মোঃ সেলিম কাজী এর আপন মামা জনাব মোঃ আঃ রব মৌলভী চাঁদা আদায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন প্রতিটি পরিবার থেকে মোঃ আলমগীর মুন্সীর নেত্রীত্বে চাদা আদায় করা হচ্ছে।
তবে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর বক্তব্য তিনিই (আলম মুন্সী) বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে এই চাদা তোলার মুলহোতা।
চাঁদা তোলার বিষয়টি সম্পর্কে অভিযুক্ত মোঃ সেলিম কাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি চাদা তোলার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন মোঃ আলমগীর মুন্সীকে তিনি চিনেন না। অথচ তারা সম্পর্কে মামা ভাগিনা।
মোঃ আলমগীর মুন্সী জানান তিনি কোন চাঁদা তুলেন নি এবং তিনি চাদা আদায়ে সমপৃক্ত নন। এলাকাবাসী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে।

অন্যদিকে চাঁদাবাজ চক্রের চাঁদা আদায়ের গোমর ফাঁস হওয়ায় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ লাইনের ম্যাপ বদল করে ভুক্তভোগী অনেক পরিবারকে বিদ্যুৎ না দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছে।