• top news
  • »
  • বরগুনা রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন

বরগুনা রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩১, ২০১৯, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
এ,কে,এম শাহাদাৎ হোসেন,বরগুনা সদর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক প্রধাণ আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজীর আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া এ মামলা অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তেদের বিচারের জন্য বরগুনার শিশু আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে মামলার ধার্য তারিখে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিফাত ফরাজীর স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়। কিন্তু এ মামলার মূল নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের শুনানি হয়নি। এছাড়া এ মামলার পরবর্তী তারিখ ৬ নভেম্বর ধার্য করেছেন বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী। একই সাথে শিশু অভিযুক্তদের মামলার পরবর্তী তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ নভেম্বর।
এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার বাদী পক্ষের মনোনীত আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু সাংবাদিকদের বলেন, রিফাত হত্যা মামলার সকল অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা আদালতের হেফাজতে রয়েছেন। তাই শিশু আসামিদের বিচারের জন্য মামলাটি শিশু আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এছাড়া এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক প্রধাণ আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজীর আদালতে দেয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু মামলার মূল নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় স্বীকারোক্তি প্রত্যারের শুনানি হয়নি। মূল নথি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৌঁছালে স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের শুনানি হবে।
তিনি আরো বলেন, রিফাত হত্যা মামলার আসামি কামরুল হাসান সাইমুনের আগামী ১১ নভেম্বর একটি পরীক্ষা আছে। এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন সাইমুন। সাইমুনের পরীক্ষার এডমিট কার্ড আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত সাইমুনকে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দেবে বলেও জানান তিনি।
গত ২৬ জুন রিফাত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। পরে ২৭ জুন ১২ জনের নাম উল্লেখনকরে অজ্ঞাত আরো ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ।
এ মামলার তদন্ত শেষে গত ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক; দুই ভাগে বিভক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। অভিযোগপত্রভূক্ত ২৪ আসামির মধ্যে ৮ জন বরগুনা জেলা কারাগারে এবং ১৩ জন যশোর শিশু ও কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছেন। এছাড়া দুজন আসামী জামিনে রয়েছেন। আর এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মোঃ মুসা এখনো পলাতক রয়েছেন।

 



সর্বশেষ সংবাদ