• top news
  • »
  • রোজা’র(অটোফেজি) উপর গবেষণা করেন নোবেল জয়!

রোজা’র(অটোফেজি) উপর গবেষণা করেন নোবেল জয়!

প্রকাশ : মে ৬, ২০১৯, ৪:৪০ অপরাহ্ণ

মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ভূইয়া, ছারছিনা প্রতিনিধিঃ

রোজা’র(অটোফেজি) উপর গবেষণা করেন নোবেল জয়!   মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’। খ্রিস্টানরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং’। হিন্দু বা বৌদ্ধরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘উপবাস’। বিপ্লবীরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘অনশন’। আর, মেডিক্যাল সাইন্সে রোজা রাখকে বলা হয় ‘অটোফেজি’। তবে মুসলিমদের রোজা রাখার ধরনের সাথে অন্যদের কিছু পার্থক্য আছে। খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ‘অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ‘ওশিনরি ওসুমি’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে। youtube এ অনেক ভিডিও পাবেন । যেখানে রোজা রাখার জন্যে আধুনিক সচেতন নারী ও পুরুষেরা কেমন ব্যস্ত হয়ে পড়ছে, দেখুন!!! শত হলেও, মেডিক্যাল সাইন্স বলে কথা!! যাই হোক, Autophagy কি? এবার তা বলি। Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া। সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া। না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়। আরেকটু সহজভাবে বলি। আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়। শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই। মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। কোষগুলোর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি। জাস্ট এ জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেল। শুনেছি প্রোফেসর ওশিনরি নিজেও সপ্তাহে দুটি করে রোজা রাখেন। আমার আফসোস হলো তাদের জন্যে, যারা স্বাস্থ্যের কথা ভেবে রোজা রাখেন না। আমরা তো প্রতিবছর একমাস রোজা রেখে শরীরের অটোফেজি করে ফেলি। কিন্তু, আপনারা কিভাবে শরীরের অটোফেজি করবেন?

 



সর্বশেষ সংবাদ
বানারীপাড়া মালিকান্দা কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ জটিলতার অবসনের দাবী এলাকাবাসীর নেছারাবাদ(স্বরূপকাঠী)  ইউএনও সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবু একজন দক্ষ ও যোগ্য সরকারি কর্মকর্তা বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ (বনেক) বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম সরোয়ার বনেকে’র বরিশালের বিভাগীয় কমিটির আংশিক অনুমোদন কবি রওশন কবীর এর একগুচ্ছ কবিতা=“বসন্তে মন ভাল নেই,” “শরতের পরশ,” “খুজে ফিরি সেই হেমন্ত” বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি চাপায় এক জনের মৃত্যু বাংলাদেশ দীনিয়া মাদ্রাসা বোর্ডের ২০১৯ইং সনের হাফতম ও দাহম জামাতসমূহের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ- বরগুনায় প্রধান শিক্ষকের ব্যাপক অনিয়ম, এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ স্বরূপকাঠীতে পয়ঁত্রিশজন জুয়াড়ী আটক “শিশির ভেজা রাত” রওশন কবীর